মাজা দুলাই


একটি ফলের দোকানে একটি লোক ফল কিনছিল; এমন সময় আর একটি লোক এসে তার পাশে দাঁড়ালো এবং কোমর দুলাতে দুলাতে বিভিন্ন ফলের দর দাম জিজ্ঞেস করতে থাকলো। দ্বিতীয় লোকটি ডানে-বাঁয়ে এমন ভাবে দুলছিল যে প্রথম লোকটির গায়ে বার বার ধাক্কা লাগছিল। এতে প্রথম ক্রেতা বিরক্ত হয়ে দ্বিতীয় ক্রেতাকে প্রশ্ন করলোঃ কি ব্যাপার ভাই আপনি এরকম ডানে-বাঁয়ে দুলছেন কেন? দ্বিতীয় ক্রেতা উত্তরে বলল: ভাই কিছু মনে করবেন না, পাঁচ বছর ধরে জাহাজে চাকরী করছিতো, সাগরের ঢেউয়ের তালে দুলতে দুলতে বদ অভ্যাস হয়ে গেছে, তাই মাটিতে থাকলেও ডানে-বাঁয়ে মাজা দুলতে থাকে।
একথা শুনে প্রথম ক্রেতা একটু উত্তেজিত হয়ে বললঃ এইডা কোন কথা হইলো; আমিতো মিঞা বিয়া করছি ২০ বছর হইলো; আমিকি সারাদিন সামনে পিছনে মাজা দুলাইনাকি?

Father, Bishop and Nun (18+)


একজন ফাদার চার্চের জন্য কিছু টাকা তুলতে চান। তিনি বিশপকে জিজ্ঞেস করলেন, কিভাবে কিছু টাকা আয় করা যায় বলুন ত! চার্চে কিছু সংস্কার কাজ করা হবে। কিন্তু ফান্ডে যথেষ্ট টাকা নাই।
বিশপ বুদ্ধি দিলেন, শহরে ঘোড়ার রেস হয় প্রতি সপ্তাহে। একটা ঘোড়া কিনে সেখানে অংশ নাও।
পরের সপ্তাহেই ফাদার গেলেন ঘোড়া কিনতে। কিন্তু ঘোড়ার দাম শুনে তার চক্ষু চড়ক গাছে। বেচারা আর কিছু কিনতে না পেরে একটা গাধা কিনে নিয়ে চলে এলেন।
শহরে এসে ভাবলেন, কিনছি যখন গাধা, সেটাকেই রেসে লাগাই। কি আর এমন হবে যদি হেরে যাই।
রেসের ময়দানের সবাইকে অবাক করে দিয়ে গাধাটা ঘোড়ার রেসেই তৃতীয় হয়ে বসল। শহর জুড়ে গাধার প্রশংসা আর তার কীর্তির আলাপ হচ্ছে। পত্রিকাগুলাও পরদিন ফলাও করে খবর ছাপাল, Father'S ASS SHOWS!!!

ফাদার গাধাটাকে খুব ভালো ভালো খাবার দেয়া শুরু করলেন। পরের সপ্তাহেও রেসে অংশ নিলেন গাধা নিয়েই। এইবার তার গাধা রেসের প্রথমেই। পরদিন বিশাল ছবি সহ সংবাদপত্রের শিরোনাম- FATHER'S ASS OUT IN FRONT!!!

ফাদার আগ্রহ নিয়ে বিশপের সাথে দেখা করতে গেলেন। ফান্ডে বেশ ভালো টাকা জমা হচ্ছে গাধাটার কারনে। এদিকে গাধাটা আবার শহরের হিরো হয়ে গেছে। কিন্তু বিশপ পেপারের হেড লাইনগুলো পছন্দই করেন নাই। তিনি ফাদারকে হুকুম দিলেন, বদমাশ গাধাকে আর রেসে দিবেন না। ফাদার তাই করলেন।রেসে কভার করতে আসা সাংবাদিকেরা জিজ্ঞেস করল গাধাটা রেসে নাই কেনো? সহজ-সরল ফাদার বলে দিলেন বিশপের নির্দেশেই এই কাজ করা হয়েছে। রেসিং ডে এর পরের দিন পেপারে আসল- BISHOP SCRATCHES FATHER'S ASS

বিশপ ত এইবার পুরা ক্ষেপা। তার কড়া নির্দেশ এলো ফাদারের কাছে। গাধাকে সরাও। ফাদার আর কি করবেন? এত শখের গাধা তার। কাছের এক সন্ন্যাসী আশ্রমে তার পরিচিত এক নান থাকেন। তিনি গাধাটা নানকে দিয়ে দিলেন। পরের দিনে পেপারে আসল, NUN HAS BEST ASS IN TOWN!!! এইবার পেপারের হেডিং দেখে বিশপ ফিট হয়ে পড়ে গেলেন। জ্ঞান ফিরে আসার পর নানকে খবর পাঠালেন, দয়া করে গাধাটা বিক্রি করে দেন।
নান তাই করলেন। নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিলেন গাধাটা। পেপারে খবর চলে আসল, NUN SELLS ASS FOR 1000 Taka.

বিশপের মাথা এইবার আউলিয়ে গেছে। পেপারগুলা যা শুরু করছে!!!! গাধাটার হাত থেকে যেভাবেই হোক মুক্তি পেতে হবে। তিনি নানকে নির্দেশ দিলেন, আপনি গাধাটা আবার কিনে নেন। এরপর সেটাকে জঙ্গলে ছেড়ে দেন। এরসাথে আমাদের চার্চের যেন কোনরূপ সম্পর্ক না থাকে। নান গাধাটা কিনে ফেরত নিলেন। তারপর বনে নিয়ে ছেড়ে দিলেন। সংবাদ সম্মেলন করে জানালেন, আমার গাধাটার সাথে চার্চের কোনরূপ সম্পর্ক আর নাই। সেটাকে মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। কেউই আর গাধাটার মালিক নয়। পরেরদিন পেপারের হেডিং- NUN ANNOUNCES HER ASS IS WILD AND FREE.
সেইদিন সকালে হার্ট এটাকে বিশপ মারা গেলেন।
আপনারা যদি কেউ গাধা কেনার চিন্তা ভাবনা করেন তাহলে একটু বেপার টা মাথায় রাইখেন।
Lolzzzzzzzz

আসল বাবা!


এক মহিলা এক ডাক্তারের প্রেমে পড়েছে। এক পর্যায়ে মহিলা গর্ভবতী হয়ে পড়ল। কিন্তু ডাক্তার বা মহিলা কেউই সন্তান চাচ্ছিলনা তখন, আবার গর্ভপাতও করতে চাচ্ছিলনা।

৯মাস পর যখন বাচ্চা হওয়ার সময় হল, মহিলা হসপিটালে ভর্তি হল, একইদিনে স্হানীয় চার্চের ফাদারও ভর্তি হলেন টিউমার অপারেশন করাতে। ডাক্তার মহিলার ডেলিভারি করিয়ে বলল মহিলাকে 'আস এক কাজ করি, ফাদারকে বলি, ওর আসলে টিউমার ছিলনা, ওর একটা বেবি হয়েছে আসলে।' তো মহিলা বলল, 'ধুৎ, তাও হয় নাকি, ও তো একটা ছেলে।' ডাক্তার বলল, 'আরে ব্যাপার না, ওকে বুঝেয়ে বলব, এটা একটা মিরাকেল, রেয়ার হয়, আমরা কাউকে বলি না।' সেই মত।

তো ডাক্তার ব্যাটা, ফাদারকে যখন বলল, ফাদারের তো মাথায় হাত, এও হয়! যাকগে, পেইন (!) কমার পর নবজাতক নিয়ে ফাদার চার্চে ফিরলেন!

১৫বছর পর। ফাদার ঠিক করলেন, ছেলেটাকে এবার টার জন্মের ইতিহাস খুলে বলেবেন। তো তিনি ছেলেকে ডেকে বললেন, 'বাবা, আমি আষলে এতদিন মিথ্যা বলেছি তোমাকে, আমি আসলে তোমার বাবা না।' ছেলে তখন বলল, 'তাহলে কে আমার বাবা?' ফাদার বললেন,

'আমি আসলে তোমার মা, আর্চবিশপ তোমার আসল বাবা!'